
Injured receive primary treatment at hospital, says Kotwali OC
A priest was injured as a bomb exploded at Kaligach Tala Kali Mondir during the weekly Shani puja in Baganbari Thakurpara area in Cumilla city on Saturday evening, said police.
Two others — Abdul Barek and Jihad — were also injured when the miscreants exploded two crude bombs in front of a nearby Buddhist temple and a private office while fleeing.
Priest Keshob Chakraborty, 48, and two others received primary treatment at a hospital, said Md Touhidul Anwar, officer-in-charge (OC) of Kotwali Model Police Station.
Sajol Kumar Chanda, president of Mandir Committee, said the bomb exploded inside the temple around 6:30pm during the Shani puja.
Witnesses who came to the temple said that Shani puja was underway at the temple in the Thakurpara area on Saturday evening. At that time, a bomb went off.
A CCTV footage shows that at 6:28pm, a masked individual entered the temple carrying a bag. Several others were seen standing nearby. At one stage, the person left the bag and quickly ran away.
Shortly afterwards, the bomb exploded there. The explosion created panic among the people present at the temple, and priest Keshab Chakraborty was injured.
Locals said that while fleeing after the incident, the miscreants detonated two more bombs in front of a nearby Buddhist temple and a private office.
As a result, Abdul Barek, son of Sujat Ali of Thakurpara Baganbari area, and Jihad, son of Nazrul Islam, were injured. They received primary treatment at a hospital.
Injured priest Keshab Chakraborty said, “After the bomb explosion, a white object fell in front of me. At first, I thought something had fallen from a tree. Later, seeing smoke, others told me it was a bomb. However, I cannot say who threw it or why.”
Shyamal Krishna, convener of the Metropolitan Puja Celebration Front, said, “After receiving the news, we came to the scene. It is still not clear who carried out this attack. Police have collected CCTV footage. Those who are trying to disturb the peaceful environment must be arrested quickly and brought under the law.”
OC Kotwali Model Police Station, Md Touhidul Anwar, said, “We have collected CCTV footage from the scene. The matter is under investigation. It is not possible to say right now why or who carried out the crude explosions. However, operations are ongoing to arrest those involved.”
He said a team from the bomb disposal unit has been called to investigate the explosion.
Meanwhile, Cumilla Superintendent of Police (SP) Md Anisuzzaman visited the scene shortly after the incident. During the visit, he said that police are working to uncover the real cause behind the incident and arrest those responsible.
Law enforcers cordoned off the temple premises, he added.

পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের নাওডোবা এলাকায় অস্থায়ী বাসস্টপ থেকে বিভিন্ন যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে জুয়েল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ।
শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নাওডোবা এলাকার অস্থায়ী বাসস্টপে বিভিন্ন বাস, মাইক্রোবাস ও অন্যান্য যানবাহন থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করে আসছিল জুয়েল হাওলাদার। তবে এতদিন ধরে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চললেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি চাঁদা তোলার ভিডিও ভাইরাল হলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, চাঁদা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে দাপুটে কণ্ঠে জুয়েল হাওলাদার বলেন, “এইডা শিবচর না, এইডা শরীয়তপুর।” তার এমন বক্তব্যে এলাকাজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকেই নাওডোবা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চললেও পুলিশ কেন আগে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি? ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই কেন তাকে আটক করা হলো এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এবং এর সাথে অন্যন্য জড়িত কারা রয়েছে সে বিষয়েও রয়েছে প্রশ্ন
এ বিষয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ওসি শাহ আলম বলেন, আমি ওসি হিসাবে গত তিন মাস যাবত আছি এর মাঝে আমি কোনো অভিযোগ পাইনি কিংবা আমাদের নলেজেও আসেনি এটা সমঝোতার মাঝে হয় কিনা জানতে চাইলে ওসি বলেন, এটা আমার জানা নেই তবে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি দুপক্ষের বক্তব্য শুনে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির মূল প্রবেশপথের পাশ থেকে অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছয়টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে গেটের ডান পাশে পড়ে থাকা অবস্থায় এই বস্তুগুলো শনাক্ত করা হয়। তবে এই ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের কাছে সন্দেহজনক কিছু বস্তু পড়ে থাকতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে শাহবাগ থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তথ্য পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং নিরাপত্তা জোরদার করে।
গ্রেনেডগুলো কে বা কারা সেখানে রেখেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হলে একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুপুর ২টার দিকে তারা সাউন্ড গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে। প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের পর গ্রেনেডগুলো বিশেষজ্ঞ দলটি তাদের হেফাজতে নিয়ে গেছে।
এই ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। কে বা কোন চক্র বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রবেশপথে এ ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, তা উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দায়ীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।
—


Relatives of mob beating victims in Munshiganj share ordeal
Relatives of the two men who were beaten to death by a mob on suspicion of theft in Munshiganj have alleged that the victims were brutally tortured before they were murdered early Wednesday.
“They rubbed chilli powder on their wounds and forced them to drink dirty water,” the mother-in-law of one of the deceased said, describing the horrific ordeal.
The two victims — Sagar, 25, son of Farhad Mia, and Chhanarul, 20, son of Shahidul Islam, residents of Goalimandra village — were attacked by locals in Louhajang upazila in the dead of the night and later declared dead after being taken to a local upazila health complex.
“My son went to call his friend during sehri. Some people caught him and beat him to death. They killed my child. My precious son is gone…,” Chhanarul’s mother Rokhsana told The Daily Star in a trembling voice.
She was sobbing uncontrollably, sitting in her small shack.
A member of the Bede community, Chhanarul was the second of three siblings.
Still struggling to contain her grief, Rokhsana said her son had never been accused of any wrongdoing.
“They suspected him of theft and caught him. But there was never any complaint against him. Those who beat him to death are criminals. I demand the death penalty for them,” she said.
Chhanarul earned a living by selling boiled eggs door to door. He lived with other members of the Bede community in makeshift shacks along the bank of a nearly dried-up river in the area.
This correspondent also spoke with the wife of the other deceased, Sagar. Sagar left behind four children, the youngest being only three months old.
“My husband drove an auto-rickshaw. During sehri he went out to start his work. While walking to the garage, people caught him on suspicion of theft and beat him to death,” said Sagar’s widow, Jannatul.
“I was asleep. In the morning I woke up and learned that my husband had been killed.”
Sagar’s mother-in-law Aklima said, “They [the mob] hurt them and rubbed chilli powder on their wounds. They forced them to swallow dirty water. How could one kill another by making them go through such torture? Are they even human? Only Allah knows what they were made of!” she said.
Now she worries about the wellbeing of her daughter and her four grandchildren.
Officer-in-Charge of Louhajang Police Station Monirul Islam said a case has been filed over the incident.
“Chhanarul’s mother Rokhsana filed the case with Louhajang Police Station, naming nine people and accusing 15-20 unidentified accused,” he said.
“So far six suspects have been arrested and the court sent them to jail. Operations are ongoing to arrest the remaining accused.”
—
2026.3.7 Taqi murder probe lingers after 13 years
Mourners demand swift submission of charge sheet
Family members and leaders of various political, social, and civic organisations visited the grave of Tanwir Muhammad Taqi yesterday morning, marking the 13th anniversary of the teenager’s murder in Narayanganj.
Expressing frustration over the lack of justice even after more than a decade, they demanded the investigation be completed and the charge sheet filed without further delay.
Around 10:00am, mourners visited Taqi’s grave at Siraj Shah’s shrine in the Puran Bandar area and offered prayers seeking eternal peace for his soul.
Prior to this, several organisations laid wreaths at the grave to pay tribute. These included Shantrash Nirmul Taqi Mancha, Narayanganj Sanskriti Jote, Khelaghar Ashor, Ganosamhati Andolon, Kranti Khelaghar Ashor, Somomona, Communist Party of Bangladesh, Bangladesh Samajtantrik Dal, Bangladesh Mahila Parishad, Udichi Shilpigosthi, and Anubhob.
Those present included Taqi’s father, cultural activist Rafiur Rabbi, his younger son Rakib Muhammad Saki, member secretary of Shantrash Nirmul Taqi Mancha Halim Azad, former president of Narayanganj Sanskritik Jote Ziaul Islam Kajol, general secretary Dina Tajrin, former general secretary Dhiman Saha Jewel, district coordinator of Ganosamhati Andolon Tariqul Suzon, executive coordinator Anjan Das, city convener Niamur Rashid Biplob, district president of the Communist Party Hafizul Islam, NAP general secretary Awlad Hossain, among others.
Taqi was abducted on March 6, 2013, and his body was recovered two days later from a canal connected to the Shitalakhhya River. A year later, the Rapid Action Battalion (Rab) disclosed details of the killing at a press conference, outlining where, how, and on whose orders the murder was carried out.
On March 5, 2014, then Rab Additional Director General Ziaul Ahsan stated that 11 people, led by Azmeri Osman, nephew of former Awami League lawmaker Shamim Osman, were involved in Taqi’s killing.
According to the investigation, Taqi’s father Rabbi had angered Shamim Osman and his associates by supporting then mayoral candidate Selina Hayat Ivy in the 2011 city corporation election and by mobilising opposition to alleged extortion and land grabbing by the lawmaker. Rabbi’s son was reportedly killed in retaliation. Following the death of Shamim Osman’s brother, lawmaker Nasim Osman, on April 30, 2014, then Prime Minister Sheikh Hasina expressed support for the Osman family in parliament. According to Taqi’s family members, the judicial process in the murder case has effectively stalled since then.

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজসহ দুই অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো.আরিফ হোসেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের কাঁচিহাটা সর্দার দিঘীর পাড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচিহাটা গ্রামের হাসান আলী বেপারী বাড়ির মো.মোস্তফা কামালের ছেলে ফরহাদ ইসলাম ফাহিম (২০) ও একই ওয়ার্ডের রহিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির নুর হোসেনের ছেলে তাজুল ইসলাম সুমন (৩৪)।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ওয়ারেন্ট তামিল ও অস্ত্র-মাদক উদ্ধারে টহল ডিউটি পালন করছিল। ওই সময় কাঁচিহাটা সর্দার দিঘীর পাড় মোড় এলাকায় সেলিমের চায়ের দোকানের সামনে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখে পুলিশ এগিয়ে যায়। একপর্যায়ে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করা হয় এবং একজন পালিয়ে যায়। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালালে ফাহিমের পরিহিত প্যান্টের কোমরের সামনে গুঁজে রাখা অবস্থায় একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে পিস্তলের দুটি তাজা কার্তুজও উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো.আরিফ হোসেন আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পলাতক আরেক সহযোগীকে নিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং অবৈধ অস্ত্র বেচাকেনার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিল। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক দুইজনসহ পলাতক একজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বরিশালে চার বছর প্রেম করার পর বিয়েতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও ধারণ করেছে প্রেমিক। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দিবাগত রাতে বরগুনা জেলার পল্লিবিদ্যুৎ অফিস থেকে কথিত প্রেমিক হৃদয়কে গ্রেফতার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
গ্রেফতার হৃদয় মন্ডল (২৬) বানারিপাড়া উপজেলার মলুহার গ্রামের রিপন মন্ডলের ছেলে। তিনি পল্লীবিদ্যুতের কর্মচারী বলে জানা গেছে।
ওসি আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, নগরীর এক কলেজ শিক্ষার্থী হৃদয়ের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই হৃদয়কে বরগুনা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার হৃদয় ও ওই কলেজ শিক্ষার্থী একই গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন আগে হৃদয় বিবাহের কথা বললে তাতে রাজি হয়নি প্রেমিকা। এরপর হৃদয় তাকে মারধর ও জামাকাপড় খুলে ভিডিও ধারণ করে বিবাহের কথা বলে চলে যায়। এরপর শুক্রবার কোতোয়ালি মডেল থানায় হৃদয়ের বিরদ্ধে মামলা দায়ের করেন ওই তরুণী।
প্রেমিক হৃদয় বলেন, তার সঙ্গে চার বছর যাবত প্রেম চলছে ওই তরুণীর। গত বছর বরিশালের অমৃতলাল দে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর একাধিক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরেন তার প্রেমিকা। তাই তাকে ছেড়ে যেন অন্য কোনো ছেলেকে বিবাহ না করতে পারে সেজন্য প্রেমিকার ভিডিও ধারণ করে মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখে হৃদয়।

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে তারাবিহ নামাজের পর উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষক চয়ন রাজভর (৩০) ফুলবাড়ির ‘দ্য নিউ কনটেস্ট কোচিং সেন্টারের পরিচালক ও শিক্ষক। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই প্রদীপ রাজভর সারিয়াকান্দি থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে শাহীন ফকিরের সঙ্গে একই এলাকার তুলারাম রাজভরের ছেলে চয়নের বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহীন ফকিরের লোকজন ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে অবস্থান নেন।
খবর পেয়ে চয়নের লোকজন সেখানে বাধা দিতে যান। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে চয়ন ও তার ভাই নয়ন রাজভর (৩৪) গুরুতর আহত হন। এতে প্রতিপক্ষের আমিনুল ফকির আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক চয়নকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নয়নকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতের বড় ভাই প্রদীপ সারিয়াকান্দি থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন- বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বাজার এলাকার মৃত নাজিম উদ্দিন ফকিরের ছেলে শাহীন ফকির (৪০), আমিনুল ফকির (৪৫) ও ফাইন ফকির (৪২), শাহীন ফকিরের ছেলে রাহাত ফকির (২০) ও রাকিব ফকির (২৬), আমিনুল ফকিরের ছেলে রাব্বি ফকির (২১) ও নূরনবী জনি ফকির (২৮) এবং মৃত জিন্নাহ ফকিরের ছেলে তাহের ফকির (৪৫)।
পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি শাহীন ফকির, আমিনুল ফকির, রাব্বি ফকির, রাকিব ফকির এবং তাহের ফকিরকে গ্রেফতার করে।
শিক্ষক চয়ন রাজভর নিহত ও নয়ন আহত হওয়ার ঘটনায় ‘দ্য নিউ কনটেস্ট কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা শনিবার সকালে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। ফুলবাড়ি বাজার থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি সারিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা উপজেলা প্রশাসনের প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। শিক্ষার্থীরা চয়ন রাজভরের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস শিক্ষার্থীদের বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। স্মারকলিপির ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ শুরু করেছে। নিহতের পরিবার যাতে দ্রুত বিচার পায় তার জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৫ আসামির মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। শনিবার সকালে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
2026.3.6 আইভীর পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করলো চেম্বার আদালত
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
বৃহস্পতিবার চেম্বার আদালতের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই আদেশ দেন। আদালত একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগামী ৯ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আইভীকে এই পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম সুমন ও মো. আক্তারুজ্জামান। আইভীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম সুমন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করার জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম। আদালত ৯ মার্চ পর্যন্ত জামিন স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন।”
আইভীর বিরুদ্ধে এই পাঁচ মামলার মধ্যে চারটি হত্যা মামলা করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায়। আরেকটি মামলা করা হয়েছে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায়। অধস্তন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর আইভী হাইকোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন।
২০২৫ সালের ৯ মে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ এলাকার নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময়ে সংঘটিত তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখায়।

A total of 165 Bangladeshi nationals have been repatriated from Libya with the assistance of the Bangladesh Embassy in Libya, the Ministry of Foreign Affairs, the Ministry of Expatriates’ Welfare and Overseas Employment, the Libyan government and the International Organization for Migration (IOM).
They returned to Bangladesh at 5:30am on Friday on a Buraq Air flight.
Of the returnees, 143 had been detained at the Ganfouda Detention Centre in Benghazi, while the remaining 22 were distressed, vulnerable and physically ill Bangladeshis who had been living in Benghazi and nearby areas and expressed willingness to return home voluntarily.
According to officials, most of the repatriated migrants had entered Libya irregularly after being lured and assisted by human traffickers while attempting to reach Europe illegally by sea.
Many of them also alleged that they had been kidnapped and subjected to torture at different times in Libya.
Officials from the Ministry of Foreign Affairs, other relevant ministries and the International Organization for Migration received the returnees at the airport.
To raise public awareness, the Foreign Ministry requested the returnees to share their difficult experiences with others.
The International Organization for Migration provided each returnee with travel allowances, food items, primary medical care and temporary accommodation where necessary.
The Ministry of Foreign Affairs, the Bangladesh Embassy in Libya, the Ministry of Expatriates’ Welfare and Overseas Employment and the International Organization for Migration are continuing to work together to ensure the safe repatriation of Bangladeshi nationals detained at various detention centres in Libya, according to the Ministry of Foreign Affairs.

টাঙ্গাইলে চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল ও আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের পাঁচ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে টাঙ্গাইল ও আশপাশের এলাকায় সেগুলো বিক্রি করে আসছিল।টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়েরের পর আজ বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এমন সফল অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ পারভীনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী ডিউটির জন্য অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করেছে ইউনিয়ন দলনেত্রী সাধনা রানী দাস।
তিনি আরো বলেন, ইউনিয়ন সহকারী প্লাটন কমান্ডার, পাভেল গাজী ইউনিয়ন সহকারী প্লাটন কমান্ডার বুলু (কম্পিউটার অপারেটর কালিয়া উপজেলা আভি কার্যালয়) এর যোগসাজসে আমার কাছ থেকে নির্বাচন ডিউটির জন্য ভিডিপি সার্টিফিকেট বিহীন লোকের ডিউটি প্রদানের আশ্বাসে কয়েক দফাই প্রাই ৩১২০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।
নির্বাচন ডিউটিতে (৪০ জনের) নাম রেজিস্ট্রেশন এন্ট্রি আবেদন বাবদ ২.২০০/- টাকা, ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেট বিহীন ১০ জনের ডিউটি দেওয়ার আশ্বাসে ৮,০০০/- টাকা, ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেটবিহীন আরও ১০ জনের ডিউটি দেওয়ার আশ্বাসে ১৩.০০০/- টাকা, নির্বাচন ডিউটির জন্য আবেদন করেননি এমন ৬ জনের ডিউটি দেওয়ার আশ্বাসে ৫.০০০/- টাকা, সাধনা রানি দাশের স্বামী সংকর ও ছেলে সোহাগের (ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেটবিহীন) নাম নির্বাচন ডিউটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বাবদ ৩০০০/- টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন।
কিন্তু আমার দেওয়া ৬০ জন লোকের নির্বাচন ডিউটির দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ জোনের ডিউটি প্রদান করেন (ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেট আছে) এবং ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেট ছাড়া ১০ জন নির্বাচন ডিউটি করলেও ৪ জনের (জহিরুল, টুটুল ফকির, সুইটি, ইয়াছিন মুন্সী, অন্য জনের পরিবর্তে ডিউটি করেন) নির্বাচনী বিলের টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। এমতাবস্তায় মোছাঃ মমতাজ পারভীনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। নির্বাচন ডিউটি বাবদ টাকা প্রদানকারী ব্যক্তিরা আমার ঘর বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ পারভীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন জেলা অফিসে একটি অভিযোগ হয়েছিল কিন্তু অভিয়োগ মিথ্যা হওয়ায় তদন্তের রায় আমার পক্ষে এসেছে । অভিয়োগকারী সঙ্গে কোনো কলহ আছে কি জানতে চাইলে বলেন, কেনো কলহ নেই।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কাছে একটি চিঠি দিছে সে বিষয়ে নড়াইল জেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা কে বলেছি তদন্তপূর্বক প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা কে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোনটি তোলেননি।

Police recover knife, 133 empty shotgun cartridges, 2 slingshot rifles during raid
Police have arrested the Sajjada Nashin of Sureshwar Darbar Sharif in Shariatpur, in connection with the murder of khadem Zainal Sarkar, who was killed on October 24, 2025.
Pir Toahidul Hossain Shaheen Noori was arrested during a raid at his residence on early Wednesday, aided by information technology, said police.
Officers recovered a knife believed to have been used in the killing, along with firearms and other evidence.
Officer‑in‑Charge Bahar Mia of Naria Police Station confirmed the arrest.
Zainal’s body was found stuffed inside a plastic sack in a pond at Atpara area under Garishar union. His daughter, Eva Akter, later filed a murder case on October 25, against unidentified individuals.
Police said two suspects were identified through CCTV footage and digital forensics.
Robin Sheikh, 32, was arrested in Munshiganj recently, and information from him led to Shaheen Noori’s arrest.
Only Chanchal Chandra Sarkar, another accused, is currently in custody, while others remain absconding.
According to Naria Police Station offcials, during the raid, police seized a knife — believed to have been used in the murder, 133 empty shotgun cartridges, six hard drives, one SSD, four walkie‑talkie sets, one DVR, three Android phones, four feature phones, two slingshot rifles, and various shotgun parts along with a shotgun box.
The arrestees are being interrogated, with efforts underway to determine the motive and apprehend others involved.
Police said the accused will be produced before the court.

রাজধানীতে রুমমেটকে হত্যার পর মরদেহ সাত খণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে হবিগঞ্জের শাহিন আলম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শাহীন আলম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশর (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হারুন-অর-রশীদ মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, শাহীন রাজধানীর মতিঝিলে রুমমেট মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর মরদেহ সাত টুকরো করে ঢাকার পাঁচটি স্থানে ফেলে আসেন। কালো পলিথিনে ভরে তিনি শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে মরদেহের অংশগুলো ফেলে দেন।
শনিবার নয়াপল্টনের স্কাউট ভবনের সামনে প্রথমে একটি কাটা পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গুলিস্তান স্টেডিয়ামের ১৩ নম্বর গেটের কাছে দুটি কাটা হাত এবং কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে আরও একটি পা উদ্ধার করা হয়। আঙুলের ছাপের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়।
নিহত ওবায়দুল্লাহ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং গণস্বাস্থ্য হোমিও ক্লিনিক-এর বিপণন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তার সূত্র ধরে পুলিশ শনিবার দুপুরে শাহীনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, তিন মাস আগে হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে গুলিস্তানের একটি হোটেলে চাকরি নেন শাহীন। পরে কম বেতনের কারণে চাকরি ছেড়ে বন্ধুর মাধ্যমে মতিঝিলে বসবাস শুরু করেন। বন্ধু মারুফ হবিগঞ্জে চলে গেলে তিনি ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে কবি জসীম উদ্দীন রোডের একটি বাসার ছয়তলায় থাকতেন।
ঘটনার রাতে ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে সিগারেট ও খাবার কেনা নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে শাহীন ক্ষিপ্ত হয়ে রান্নাঘরের চাপাতি দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে মরদেহ খণ্ড করে কালো পলিথিনে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন তিনি।
পুলিশ জানায়, শাহীন মরদেহের বিভিন্ন অংশ নয়াপল্টন, গুলিস্তান, কমলাপুর ও আমিনবাজার এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে আসেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ময়লার ভাগাড় থেকে মাথা উদ্ধার করেছে, তবে মরদেহের বুকের অংশ এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর মতিঝিল থানায় শাহীন আলমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাইগ্রামের সাইদুল শেখের মেয়ে সোনিয়া বেগম (২৫) হত্যার অভিযোগে স্বামী সজিবসহ জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় লক্ষীপাশা-মহাজন সড়কের মাইগ্রাম চৌরাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সোনিয়ার স্বজনসহ এলাকার দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “সোনিয়া হত্যার বিচার চাই, সজিবের ফাঁসি চাই।”
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল আহমেদ বাবু বলেন, মাত্র তিন মাস আগে সোনিয়াকে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার ফলসী গ্রামের কাদের মোল্যার ছেলে সজিবের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের সময় মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে পরিবার থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার দেওয়া হয়।
বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই সজিব আরও টাকা দাবি করতে থাকেন এবং সোনিয়ার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। সোনিয়া বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে তারা জামাইয়ের কাছে সময় চান। কিন্তু এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।
স্বজনদের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় সোনিয়া তার মায়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর গ্রামের এক ইউপি সদস্য ফোন করে সোনিয়ার বাবার বাড়িতে জানান, সোনিয়া মারা গেছে। খবর পেয়ে স্বজনরা গোপালগঞ্জের ফলসী গ্রামে সোনিয়ার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে খাটের ওপর তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।
সোনিয়ার পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা এবং তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। মানববন্ধনে সোনিয়ার বোন সুমি বেগম, মা নূর নাহার বেগম, প্রতিবেশী শাহানাজ বেগমসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
এ বিষয়ে কাশিয়ানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহফুজুর রহমান বলেন, নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বড় পাড়া গ্রামে জহিরুল ইসলাম নামে এক ভেকু (মাটিকাটামেশিন)চালককেকুপিয়েওপিটিয়েকুপিয়েওপিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। চাঁদানাদেওয়ায়একইগ্রামেরজাফর, ইব্রাহিমওরিয়াজসহতাদেরসহযোগীরাএইহামলা চালায়বলে জানা গেছে।
এঘটনায়ভুক্তভোগীজহিরুলেরস্ত্রীমোসা。 সুলতানাবেগমআমতলীউপজেলাবিজ্ঞসিনিয়র জুডিশিয়ালম্যাজিস্ট্রেটআদালতেমামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তালতলী থানাকে এফআইআর (এজাহার) হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ প্রদানকরেছেন।
মামলারআসামিরাহলেন—মো。 জাফর(৪০),ইব্রাহিম(৪৫),মো。 রিয়াজ (৩৫), মোহাম্মদ লিটন (৫০), ছগির (৩০), মোহাম্মদ সাইদুল (৩০), মোহাম্মদ আরিফ (৩০), মোহাম্মদমাজহারুল ইসলাম মাজা (৩০) ও মুহাম্মদ সোবাহান (৬০)। মামলার এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজিওমাদকব্যবসায়জড়িতথাকার অভিযোগআনা হয়েছে।
মামলারবিবরণীতেসুলতানাবেগমউল্লেখকরেন, তাঁর স্বামী জহিরুল ভেকু চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। ঘটনার দিন আসামিরা জহিরুলকে ঘিরে ধরে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২নং আসামি ইব্রাহিমের হুকুমে ১নং আসামি জাফর ধারালো অস্ত্রদিয়ে জহিরুলের মাথায় আঘাত করে।
হামলায় জহিরুলের মাথার হাড় ভেঙে রক্তাক্ত জখমহয়। এ সময় অন্যান্য আসামিরা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাঁর নাকের হাড় ভেঙে দেয় এবং দাঁতফেলে দেয়। এছাড়াও বুকের ওপর পিটিয়ে ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডে মারাত্মক জখম করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালী আসামিরা মামলা করার পর থেকেই সুলতানা বেগমও তাঁর স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। মামলার সাক্ষীদেরও বিভিন্নভাবে এলাকা ছাড়ার ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
জীবনসংকটাপন্ন অবস্থায় বসবাস করা এই পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে তারা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনেরদ্রুতহস্তক্ষেপকামনাকরেছেন।

Police arrested three youths in Narsingdi’s Raipura upazila on charges of attempted rape and filming the incident on Saturday, registering a case under the Pornography Control Act.
Raipura Police Station Officer-in-Charge Md Mujibur Rahman confirmed this incident.
The accused are Md Rahim, 18, son of Hasan Mia of nearby Samibad village, Mahbubur Rahman, 28, son of Ayub Mia, and Trisad, 20, son of Rois Uddin of Gazipura.
According to the victim’s complaint, the accused had been harassing her for a long time. On the night of January 15, Mahbubur Rahman allegedly dragged her to a nearby haystack, where Rahim attempted to rape her. The group is also accused of filming the incident and spreading the video on social media.
After the matter became known in the area, locals detained Rahim, Mahbubur Rahman and Trisad from Gazipura Bazar and informed police. Police took them into custody, later sent them to jail through court.
The OC said that efforts are underway to arrest the remaining suspects.

They say they travelled to Russia after paying Tk 700,000
Within six months of migration, 35 Bangladeshi workers have been sent back from Russia.
A media statement issued by BRAC, citing the workers, said they were sacked without any valid reason.
The workers alleged that 120 people who migrated from Bangladesh in July were dismissed. They alleged that they were cheated after travelling to Russia by paying Tk 700,000 per person.
The first batch of the sacked workers returned on a Qatar Airways flight at 5:45pm on Sunday.
The returned workers included residents of Gaibandha, Manikganj, Mymensingh, Sirajganj, Chapainawabganj, and Dhaka.
The BRAC statement said the workers were sent by Kashipur Overseas with the certification of the Bureau of Manpower, Employment and Training.
They were employed in the construction sector though they were promised work in factories, the statement noted.

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের করিয়াটা গ্রামে জমি সংক্রান্ত চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন (৩৫), পিতা সুজাত আলী এবং তার খালাতো ভাই সোহেল (৩০), পিতা তুতা মিয়া, মিলে গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ বাদশার বড় মেয়ের জামাতা ও ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম খালেক ভুঁইয়ার ভাগিনা দুদু মিয়া (৬০), তার ভাই মোঃ হাফিজ (৫০) এবং তাদের ভাগিনা, মোঃ সেলিম রেজা (২৮)-এর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার পর এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে মোঃ হাফিজের মাথায় একাধিক আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ও মোঃ সেলিম রেজাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে মোঃ হাফিজের অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার মামা রিপনের সঙ্গে মিলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তারা গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত সুরুজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিল বলেও দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কীভাবে এসব অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

লৌহজংয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায় মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে লৌহজং থানার একটি আভিযানিক দল উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় বেইলি ব্রিজের পশ্চিম পাশের সড়কে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন এক যুবককে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে তার পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে তিনটি পলিথিনে মোড়ানো মোট ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম তৈয়ব মিয়া (২৭)। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার কামারখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম নুরুল হক মিয়া। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে গ্রেপ্তারকৃত তৈয়ব মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য বহন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ জানায়, জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। একই সঙ্গে মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরের সালথায় এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে কাইয়ুম মোল্লা (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা সাধুপাড়া গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাইয়ুম মোল্লা ওই গ্রামের মো. রোকন মোল্লার ছেলে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, কাইয়ুম মোল্লা ওই ২৮ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে বিভিন্ন সময় একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সম্প্রতি ওই যুবতী গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী যুবতী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি এবং আজ শনিবার দুপুরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী যুবতীকে উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা প্রায় ২৯ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিক্সসহ ২ পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে গার্ড স্টেশন পাগলা কর্তৃক নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক ১টি মিনি ট্রাক তল্লাশি করে প্রায় ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধভাবে শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা ভারতীয় কসমেটিক্স ও ট্রাকসহ ২ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, ‘জব্দকৃত আলামত ও আটককৃত পাচারকারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে’।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের হবির মোড় নামক স্থান থেকে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে সান্তাহার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের সদস্যরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টায় বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসের সামনে পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার দেবখন্ডা (ডাঙ্গাপাড়া বাজার) গ্রামের মৃত কুবাদ হোসেন মন্ডলের ছেলে আনিছুর রহমান (৪২) ও একই উপজেলার লালবাগ গ্রামের হাসান আলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন (২২)। এ বিষয়ে সান্তাহার “খ”সাকের্লের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল জানান,
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের দেহ তল্লাশি করে ফুল প্যান্টের সামনের ডান পকেটে স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো নীল রংয়ের জিপার যুক্ত পলি প্যাকেট মোড়ানো অবস্থা প্যাকেটে কমলা বর্ণের অ্যামফিটামিন যুক্ত ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের পর তাদেরকে দুপুরে বগুড়া জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। x1200

কাজলা প্রতিনিধি: রাজশাহী নগরীতে এক বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে ওসমান গনি ওরফে ফুয়াদ (৪০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে নগরীর কাটাখালী থানার হরিয়ান পূর্বপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে ঢুকে অভিযুক্ত যুবক ওই নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে। বুধবার রাতেই নাবালিকার মা কাটাখালী থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর বুধবার রাতেই কাটাখালী থানা-পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে। মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর মা উল্লেখ করেন, বুধবার সকালে বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে বাড়িতে রেখে তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলেন। দুপুরে সেখান থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন, অভিযুক্ত যুবক তার মেয়েকে ধর্ষণ করছে। তখন তিনি চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার কাটাখালী থানার অফিসার ইনজার্জ (ওসি) সুমন কদেরী বলেন, বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত যুবককে রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভোলার লালমোহনে পারিবারিক কলহের জেরে রুনা বেগম নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী জিহাদের বিরুদ্ধে।
গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গণেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুনা ওই এলাকার হাফিজুর রহমানের মেয়ে।
এদিকে, ঘটনার পরপরই স্বামী জিহাদ পালিয়ে গেলেও আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে আটক করে র্যাব ও পুলিশ। আটককৃত জিহাদ ওই ইউনিয়নের পাঙাশিয়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুনা ও জিহাদ সম্পর্কে দুজন মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন। গত ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে চলছে নানা রকমের কলহ।
বিষয়টি পারিবারিকভাবে একাধিকবার মীমাংসা করা হলেও কোনভাবেই তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারেননি কেউ। প্রায় সময় স্বামী জিহাদ স্ত্রী রুনার ওপর চালায় পাশবিক নির্যাতন। ঘটনার দিন বুধবারও রুনার মা সালিশের উদ্দেশ্যে জিহাদের বাড়িতে যান। সে সময় রুনা তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এবং জিহাদও তার নিজ বাড়িতে ছিলেন। সালিশের পরপরই জিহাদ রুনার বাড়িতে যান। এ সময় রুনার মা জিহাদের বাড়িতে ছিলেন এবং বাবা ঘরের বাইরে ছিলেন।
রুনার চাচি নূর জাহান বেগম জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে রুনার ঘর থেকে শব্দ পেয়ে তিনি সেখানে যান। এরপর ঘরে ঢুকে দেখেন বিছানায় পড়ে রয়েছে রুনা। তার শরীর কম্বল দিয়ে ঢাকা ছিলো এবং বুকের ওপর একটি বালিশ রাখা ছিলো। এরপর তাকে ডাকাডাকি করে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কম্বল সরিয়ে দেখতে পাই রুনার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ এবং বিছানা প্রস্রাবে ভিজে রয়েছে। তার মুখে লালা এবং রক্ত ছিলো। পরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের ছুটে যান লালমোহন থানা পুলিশ। তারা মৃত রুনার মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে থানায় যান।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জিহাদ পলাতক থাকায় তাকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন জিহাদ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২-এর অংশ হিসেবে নোয়াখালীর হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ দুই দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে হাতিয়া আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন হাতিয়ার একটি দল হাতিয়া থানাধীন ১ নম্বর ক্ষিরোদিয়া বলির ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—হাতিয়া উপজেলার দক্ষিণ সুল্লকিয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে রুবেল উদ্দিন (২৪) এবং হামদ উল্লাহ গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে মামুন উদ্দিন (২৪)।
কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল।
পরবর্তীতে জব্দকৃত আলামতসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে’।

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী নগরীতে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবা, গাঁজা, নেশাজাতীয় সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল-সহ ৬জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) নগরীর মতিহার থানা ও পবা থানা অঞ্চলে অভিযান চালায় থানা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ৩৫ বোতল নেশাজাতীয় ট্রিপ্রোলিডিন-কোডিন সিরাপ, ৮৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২২ পুরিয়ায় ১০৪ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ১৬০ টাকা ও মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল জব্দ করা হয়।
গ্রেফতাকৃতরা হলো: মোঃ রাজু (৩৮), সে নগরীর দামকুড়া থানার খোলাবোনা গ্রামের বাসিন্দা, মোঃ আমিনুল ইসলাম মুন্না (৪০), সে রাজপাড়া থানার তেরখাদিয়া ডাবতলা এলাকার বাসিন্দা, একই থানার আব্দুল আল মামুন ওরফে ডিম বাবু (৩১), সে মহিষবাথান (উত্তরপাড়া) এলাকার বাসিন্দা, মোঃ ইসরাফীল হোসেন (২৫), সে লক্ষীপুর ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা, মোঃ আলমগীর (৪৫), সে পবা থানার ঘোলহাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মোঃ রবিন আলী (৩৬), সে রাজশাহীর চারঘাট থানার বালাদিয়াড় গ্রামের বাসিন্দা, (বর্তমানে মতিহার থানার ধরমপুর এলাকায় ভাড়াকরা বাড়িতে বসবাস করে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, সোমবার পরিচালিত অভিযানে উপরোক্ত মাদকদ্রব্য ও মাদক বিক্রিয় কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জব্দকৃত মাদকদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছে।
এ ব্যপারে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলায় দ্রুতগামী বাসের চাপায় রাহেলা আক্তার শান্তা (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে ঘোষেরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শান্তা উপজেলার বড় শাহতলী গ্রামের শামছুল হুদার মেয়ে। তিনি জিলানী চিশতী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ছাত্রী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় চাঁদপুরগামী আইদি পরিবহনের একটি বাস তাকে সজোরে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার করা হয়। কিন্তু ঢাকা যাওয়ার পথে বিকেল ৪টার দিকে শান্তা মারা যান।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. ফয়েজ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সদর মডেল থানাধীন মসজিদপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কারাদণ্ড হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. তসিকুল ইসলাম তছি (৩০), মো. সাইদুর রহমান (৫০), মো. শরিফুল ইসলাম সুমন (৩২)। তিনজনই সদর মডেল থানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
অভিযানকালে আসামিদের কাছ থেকে মোট ৬৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে পৃথকভাবে ২০ গ্রাম, ২০ গ্রাম ও ২৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।
পরে উপ-পরিদর্শক মো. মুস্তাফিজুর রহমান প্রসিকিউশন দাখিল করলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত প্রত্যেক আসামিকে ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি আসামিদের পৃথকভাবে ৩২০ টাকা, ১৫০ টাকা ও ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

发表回复